মা রূপা বিলাপ করতে করতে বলেন, ‘আল্লাহগো কোরআনে হাফেজ আমার মিমকে কেন নিয়া গেলাগো।’
ট্রেনের ধাক্কায় মিমের নিহত হওয়ার কথা শুনে পাগলের মত ছুটে ঘটনাস্থলে আসেন মিমের মা রুপা। মেয়ের লাশ সামনে রেখে তার গগণবিধারী চিৎকারে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠে।
.png)
তিনি বিলাপ করতে করতে বলেন, মিমের বাবা মানসিক রোগী হওয়ায় মিম ও তার ভাই ফরহাদের খাবার যোগাতে আমি ইপিজেডে কাজ করি। বুক চাপরিয়ে মিমের মা রুপা চিৎকার করে বলেন, ‘এই মেয়ে কে আমি কত কষ্ট করে বড় করেছি। আমার মেয়ে কোরানে হাফেজা ছিল। আল্লাহ আমার বুকের ধন কাইরা নিলো গো’।
এদিকে দুপুরে নিহতের বাড়িতে আসেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান। তিনি বলেন, ‘সত্যিই ঘটনাটি মর্মান্তিক। ক্রসিংয়ে একটি ফুটওভার ব্রিজ করা দরকার। প্রাথমিকভাবে নিহতের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে প্রদান করা হবে। ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি করা হবে।
জেলা পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ বলেন, ‘আমরা হয়তো মায়ের কোলে সন্তানকে ফিরিয়ে এনে দিতে পারবো না। প্রশাসনিক সকল প্রকার সহায়তা করা হবে।’