ঘটনার মূলহোতা রাজ্জাককে গ্রেফতারের পর বেরিয়ে আসে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য। বুধবার বিকেলে তাকে গাজীপুর থেকে গ্রেফতার করে ময়মনসিংহ জেলা ডিবি পুলিশ।
এর আগে ১৫ মার্চ ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার টাংগাটি গ্রাম থেকে কিশোরীর লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতের বাড়ি নরসিংদীর মাধবদীর খিলগাঁও গ্রামে।
.png)
বৃহস্পতিবার দুপুরে এসব তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার মো. আহমার উজ্জামান। তিনি বলেন, দুই মাস আগে গাজীপুরে আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই কিশোরীর। সেই সুবাদে তাকে সাংবাদিক বানানোর প্রলোভন দেখান রাজ্জাক। করেন ধর্ষণও। তবে কিশোরীর চাপে পড়ে বিয়ে করেন। বিয়ের পর রাজ্জাকের গাজীপুরের গাছা রোড এলাকায় ভাড়া বাসায় কিশোরী যাতায়াত ছিল।

পুলিশ সুপার আরো বলেন, ১৪ মার্চ কিশোরীকে নিজ বাড়িতে বেড়ানোর কথা বলে ধোবাউড়া গোয়াতলা কংশ নদীর তীরে নিয়ে যান রাজ্জাক। সেখানে অপেক্ষায় থাকা দুই সহযোগীকে নিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে হত্যার পর লাশটি বাড়ির পাশে ক্ষেতে ফেলে রাখেন। লাশের সঙ্গে রাজ্জাকের ভাই আমিনুল ইসলামের ছেলে শহিদুল্লাহর জন্মনিবন্ধন রেখে যান রাজ্জাক। লাশ উদ্ধারের পাশাপাশি জন্মনিবন্ধনের সূত্র ধরে শহিদুল্লাহকে আটক করে পুলিশ।