শনিবার বেলা ১১টার দিকে পাথরঘাটা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রুবেল একই এলাকার জলিল মিয়ার ছেলে। সে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করত। তার প্রেমিকা জাকিয়া আক্তার পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ পাথরঘাটা গ্রামের জামাল হোসেনের মেয়ে।
রুবেলের বড় ভাই সোহেল ও ছোট বোন মিম আক্তার জানান, প্রতিদিনের মতো সকালে ঘুম থেকে বাড়ির সবাই উঠলেও রুবেল ওঠেনি। দরজা ধাক্কাধাক্কি করেও কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়ায় বেড়ার ফাঁক দিয়ে তার ঝুলন্ত লাশ দেখা যায়। পরে দরজা ভেঙে লাশ উদ্ধার করা হয়।
.png)
তারা আরো জানান, দীর্ঘদিন ধরে জাকিয়া আক্তার নামে ঐ মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল রুবেলের। ঐ মেয়েকে বিয়ে করতে চাইলে তার আত্মীয়রা রুবেলের কাছে ২ লাখ টাকা কাবিন দাবি করে। কাবিন না দিলে তারা রুবেলের সঙ্গে জাকিয়ার বিয়ে দেবে না বলে জানায়। কিন্তু রুবেল ২ লাখ টাকা কাবিন দিতে অক্ষমতা প্রকাশ করলে তার প্রেমিকা জাকিয়াও আত্মীয়দের পক্ষ নেয়। এতে অভিমান করে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় প্রেমিক রুবেল।
এদিকে, আত্মহত্যার আগে ঘরের খাটের উপর একটি চিরকুটে কাবিনের কথা লিখে যায় রুবেল। তবে রুবেলের লেখা সেই চিরকুট এখনো পুলিশ উদ্ধার করতে পারেনি।
পাথরঘাটা থানার ওসি মো. আবুল বাশার জানান, লাশ উদ্ধার ও সুরাতহাল শেষে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। আত্মহত্যার কারণ তদন্ত এবং চিরকুট উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।