বৃহস্পতিবার সিন্ডিকেট সদস্য সাদিকুল ইসলাম সাগর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।
তিনি বলেন, ফিশারীজ বিভাগের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
.png)
উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক গোলাম কবিরকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটির অন্য দুজন সদস্য হলেন প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের ড. রেজাউল করিম বাদল এবং আইন বিভাগের আ ন ম ওয়াহিদ।
প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ইসতিয়াক হোসাইন ফেসবুক স্টোরিতে বিভাগে চলমান চূড়ান্ত পরীক্ষার একটি কোর্সের (এফএমএমসি-৬৪১) প্রশ্নপত্র দেন। পরবর্তীতে সেই পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এরপর গত ১৮ ডিসেম্বর অধ্যাপক ড. ইয়ামিন হোসেন সাজেশনের নামে চূড়ান্ত পরীক্ষার পূর্বেই একটি কোর্সের প্রশ্নপত্র অনলাইন ক্লাসে শিক্ষার্থীর কাছে শেয়ার করার অভিযোগ উঠে। যা পরীক্ষায় আসা প্রশ্নের সাথে হুবহু মিলে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়।
এ ঘটনাকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে নিজের গ্রুপের ছাত্র-ছাত্রীদের ভালো নম্বর পাইয়ে দেবার অভিযোগ তুলেন লিখিত অভিযোগপত্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেন একই বিভাগের শিক্ষক ও ফিশারীজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ইসতিয়াক হোসাইন।