যারা ছিল ওই লঞ্চে তাদের স্বজনেরা ছুটে আসেন শীতলক্ষ্যার দুই পাড়ে। তাদের আহাজারি আর বিলাপে ভারী হয়ে উঠে কালো পানির কুচকুচে শীতলক্ষ্যার পাড়ে থাকা পরিবেশ। হৃদয় বিদারক আর্তনাদ আর স্বজনদের কান্নায় চোখের পানি ধরে রাখতে পারছিল না কেউ।
স্থানীয়রা বলছেন, গত বছরও এখানে লঞ্চ ডুবির ঘটনা ঘটে। আর কত মানুষের প্রাণ গেলে থামবে এ দুর্ঘটনা আর মানুষের কান্না। চোখের জল এখন গড়ায় শীতলক্ষ্যার পানিতে।
.png)
এদিকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শীতলক্ষ্যায় কার্গোর ধাক্কায় লঞ্চডুবির ঘটনায় ৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার দুপুরে চর সৈয়দপুরের আল আমিননগর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শতাধিক যাত্রী নিয়ে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় লঞ্চ টার্মিনাল থেকে এম ভি আশরাফ উদ্দিন নামে মুন্সীগঞ্জগামী একটি লঞ্চ যাওয়ার সময়ে এমভি রূপসী-৯ নামের কার্গো ধাক্কা দেয়। কার্গোটি ওই লঞ্চকে ঠেলে অনেক দূর নিয়ে যায়। এতে ওই লঞ্চটি মুহূর্তেই ডুবে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ওমর ফারুক জানান, জয়নাল স্ট্রোকের রোগী ছিলেন। লঞ্চ ডোবার পর সাঁতরে তীরে উঠতে পেরেছিলেন তিনি। তীরে ওঠার কিছুক্ষণ পর স্ট্রোক করে মারা যান তিনি।