ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার দক্ষিণ চেঁচরী গ্রামের মৃত আবদুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে মো. আবদুল লতিফ হাওলাদার, মো. জয়নাল আবেদীন খানের ছেলে সরোয়ার হোসেন খান এবং একই গ্রামের জয়নাল জমাদ্দারের ছেলে মো. আবদুস সালাম জমাদ্দার। আসামিদের মধ্যে সরোয়ার হোসেন খান মামলার শুরু থেকেই পলাতক।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান মনু জানান, উপজেলার চেঁচরী রামপুর ইউপির দক্ষিণ চেঁচরী গ্রামের বাসিন্দা ও পীরখানজাহান আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক শাহজাহান হাওলাদারের সাথে ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে দণ্ডিতদের সাথে দ্বন্দ্ব ছিলো। ২০০৭ সালের ১৭ মার্চ স্থানীয় জোড়াপোল বাজার থেকে রাত ৯টা ৪৫ মিনিটের সময় বাড়ি আসার পথে কাঁঠালিয়া-কৈখালী সড়কে পৌঁছালে প্রতিপক্ষরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে ওই শিক্ষককে।
.png)
পরের দিন ১৮ মার্চ আবদুল লতিফ হাওলাদার, সরোয়ার হোসেন খান ও আব্দুস সালাম জমাদ্দারকে আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে নিহতের বড় ভাই মো. মানিক হাওলাদার।
কাঁঠালিয়া থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. আবুল হোসেন ও মো. শহিদুল ইসলাম ২০০৭ সালের ১২ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করেন। আদালত ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে মঙ্গলবার বিকেলে আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।