মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা গাজী মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, বিগত কয়েক বছরের মতো এবারও আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। ১১৫ জন জিপিএ ফাইভ ছাড়াও বাকিরা বিভিন্ন গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে।
১৯৫৬ সালে মকতব দিয়ে শুরু হয় এনএস কামিল মাদরাসা। বর্তমানে এ মাদরাসা বরিশাল বিভাগে একমাত্র অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানে রূপ লাভ করেছে। দাখিল-আলিমে বিজ্ঞান, কম্পিউটার এবং ফাযিলে ২টি বিষয়ে অনার্সসহ কামিলে হাদীস, তাফসীর ও ফিকহ বিভাগ নিয়ে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার ছাত্র এ প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করছে।
.png)
সেমিস্টার পদ্ধতিতে পরীক্ষা গ্রহণ, ক্লাস টেস্ট, দুর্বল ছাত্রদের জন্য ফিডব্যাক ক্লাস, শিক্ষা সহায়ক কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়ন, আবাসিক ছাত্রদের ঘণ্টাওয়ারী মনিটরিং, টিউটর শিক্ষকের ব্যবস্থা এবং অভিভাবক সম্মেলনসহ অত্যাধুনিক ব্যবস্থাপনার কারণে কেন্দ্রীয় পরীক্ষাসমূহে এ প্রতিষ্ঠান বারবারই গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য অর্জন করেছে।
এদিকে ঝালকাঠি সরকারি মহিলা কলেজ থেকে ৪৯৮ জন এইচএসসি পরীক্ষা দিয়ে ৪৭১ জন উত্তীর্ণ ও ১৩৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। ঝালকাঠি সরকারি কলেজ থেকে ৪২৬ জন অংশ নিয়ে ৩৮৮ জন উত্তীর্ণ ও ৩৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। ঝালকাঠি ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় ৫৪ জন অংশগ্রহণ করে ৫১ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। কুতুবনগর আযিযীয়া আলিম মাদরাসা থেকে ৯ জন আলিম পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৮ জন উত্তীর্ণ ও ১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।