মঙ্গলবার অর্থঋণ আদালতের বিচারক মুজাহিদুর রহমান এ আদেশ দেন। আদালতের পেশকার মো. রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলাটির পাঁচ নম্বর আসামি সাইফউদ্দিন চৌধুরী ২০১৬ সালে মৃত্যুবরণ করেছেন। ২০২০ সালে এসে মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে জারি মামলা করে ব্যাংক। মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে জারি মামলা করায় প্রমাণিত হয় ডিক্রিদার ব্যাংক বিপুল পরিমাণ খেলাপী ঋণের গ্রাহকদের বিষয়ে নিয়মিত তদারকি করে না। মামলায় সময়মত প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। যার কারণে জনগণের আমানতের বিপুল পরিমাণ টাকা খেলাপী ঋণে পরিণত হয়ে আনাদায় যোগ্য হয়ে পড়ে। ব্যাংকের নজরদারি ও সময়োচিত আইনি পদক্ষেপ না নেয়ার ফলে ঋণ খেলাপী তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছে আদালত। যা আদায় করা অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়েছে।
.png)
এ মামলায় ডিক্রিদার ব্যাংকের দায়িত্বে অবহেলার কারণেই মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে জারি মামলা করা হয়েছে। এ অবস্থায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সোনালী ব্যাংকের শাখার ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কেন সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে আদেশের কপি প্রেরণ করা হবে না সে বিষয়ে আগামী ৪ এপ্রিলের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা আদালতে দাখিল করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।