তবে এ আত্মহত্যার ঘটনায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ রয়েছে। মৃত জাকারিয়া পাথরঘাটা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে।
পাথরঘাটা থানার এসআই মো. সহিদুল ইসলাম জানান, পাথরঘাটা কে এম সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের ভেতরে বসে চালের পোকা মারা বিষাক্ত ট্যাবলেট খান জাকারিয়া। কিছুক্ষণ পর তার সহকর্মী জুবায়ের ও ইউসুফকে বিষ খাওয়ার কথা জানালে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে অসুস্থ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান এবং তার পরিবারের লোকজনকে খবর দেন। কিছুক্ষণ চিকিৎসার পর জাকারিয়ার মৃত্যু হয়।
.png)
তিনি আরও জানান, জাকারিয়ার শ্বশুরবাড়ির পক্ষের বক্তব্য মতে জাকারিয়ার অন্য এক মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল এবং ওই মেয়ের সঙ্গে মনোমালিন্য হওয়ায় বিষ খান তিনি। জাকারিয়ার পরিবার ও প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, স্ত্রীর সঙ্গে মনোমালিন্য নিয়ে বিষ খেয়েছেন তিনি।
পাথরঘাটা থানার ওসি মো. আবুল বাশার জানান, কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন এ মুহূর্তে তদন্ত ছাড়া বলা যাচ্ছে না। মরদেহের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে এবং থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হবে।