এ বছর চাঁদপুর জেলায় ৯ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। লোকসান ও বৃষ্টি জনিত কারণে ৭ হাজার ১৪০ হেক্টর জমিতে আলু চাষাবাদ অর্জিত হয়েছে। এছাড়া চাঁদপুরে ১২টি হিমাগারে ৭০ হাজার মেট্টিক টন আলু সংরক্ষণ করার ধারণ ক্ষমতা রয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর আলু উৎপাদনে দেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। বিগত কয়েক বছর ধরেই চাঁদপুরে ব্যাপক আলু উৎপাদন হচ্ছে। চাঁদপুর জেলা একটি নদীবিধৌত কৃষি ভিক্তিক অঞ্চল বিধায় কৃষকরা সময়মত চাষাবাদ, বীজবপন ও সঠিক পরিচর্যায় পারদর্শী। জেলার ব্যাংকগুলো যথারীতি ফসল ঋণ প্রদান করে কৃষিপণ্য উৎপাদনে ব্যাপক সহায়তা দিচ্ছে।

.png)
চাঁদপুরের সঙ্গে নৌ, সড়ক ও রেলপথের উত্তম যোগাযোগ থাকায় দেশের সর্বত্র কৃষিপণ্য পরিবহন অন্যান্য জেলার চেয়ে খুবই সহজ ও নিরাপদ সুযোগ রয়েছে। ৮ উপজেলায় আলুর চাষাবাদ ও উৎপাদনে বিভিন্ন জাতের আলু চাষাবাদ করে থাকে কৃষকরা। কম-বেশি সব উপজেলাই আলুর ফলন ও চাষাবাদ হয়ে থাকে।
চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউপির আলুচাষি মো. জাফর শেখ জানান, বৃষ্টির চিন্তার অনেকে এবার আলুচাষ করেনি। আমরা যারা আলুচাষ করেছি, সবাই সংঙ্কার মধ্যে ছিলাম। কারণ গতবছর বৃষ্টিতে আমাদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আল্লাহর দয়ায় এ বছর কৃষি জমিতে আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। আশাকরি গত বছরের লোকশান এ বছর পুষিয়ে নেয়া যাবে।

চাঁদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. জালাল উদ্দিন বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর আলুর ফলন ভালো। কৃষকরা আলু বিক্রি করে লাভবান হবে, যদি বৃষ্টির আগে আলু তুলতে পারে। জেলায় এ বছর প্রতি হেক্টর জমিতে ২০ টন করে মোট ১ লাখ ৪২ হাজার ৮০০ টন উৎপাদন হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।