সোমবার (২৫ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে সদর হাসপাতালের চিকিৎসক আল-আমিন বলেন, আহতদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারাল অস্ত্রের আঘাতের চিহৃ রয়েছে। তাদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ও একজনের বাম হাত ভেঙে গেছে। এর আগে দুপুরে সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের চরভূতা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, চরভূতা গ্রামের বাসিন্দা সোহেলের স্ত্রী সেলিনা বেগমকে কুপ্রস্তাব দেয় তার পাশের বাড়ির শাহজানের ছেলে হুমায়ুন। এনিয়ে রোববার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে হুমায়ুনকে মারধর করে সোহেল ও তার লোকজন। হামলার শিকার হয়ে ওই দিন হুমায়ুন কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ক্লিনিকে চিকিৎসা নেন। সোমবার দুপুরে হুমায়ুন হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে তার বড় ভাই মামুনসহ ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে সোহেলের চাচাতো ভাই মোবারকের বাড়িতে হামলা চালায়। এতে মোবারকের ছোট ভাই জাবেদ, মা মোবাশ্বেরা বেগম, সোহেল ও তার ছোট ভাই সায়েদকে কুপিয়ে জখম করে। অভিযুক্ত হুমায়ুন ও মামুন তারা দুই ভাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
.png)
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) জসিম উদ্দীন বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতাল ও ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।