বুধবার সকালে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত লিটন কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের উত্তর চরকাদিরা গ্রামের চৌধুরী মাঝির ছেলে।
.png)
আদালত সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের ১৩ এপ্রিল উত্তর চরকাদিরা গ্রামের একটি আম গাছ থেকে রুবিনার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে বলে প্রচার করা হয়। এতে আত্মহত্যা বলেই তার শ্বশুর চৌধুরী মাঝি কমলনগর থানায় লিখিতভাবে সংবাদটি জানান। থানার তৎকালীন ওসি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করে তা এসআই মোশাররফ হোসেনকে তদন্তের জন্য দায়িত্ব দেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে মোশাররফ ঝুলন্ত অবস্থায় লাশটি পাননি। চৌধুরী মাঝির ঘর থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।
তখন সুরতহাল প্রস্তুতকালে তিনি দেখতে পান রুবিনার মরদেহের ঠোঁটসহ মুখের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। কানের নিচে ও ঘাড়ের পেছনে রশির দাগ ছিল। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। একই বছর ২৯ মে ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন পুলিশের হাতে আসে। এতে প্রমাণিত হয় মাথায় আঘাতের পর রুবিনাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এতে এসআই মোশারফ বাদী হয়ে লিটনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি ও ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ আদালত এ রায় দেন।
জেলা জজ কোর্টের সরকারি পিপি অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন এ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, স্ত্রীকে হত্যার দায়ে লিটন দোষী প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে ফাঁসির আদেশ দেয়। রায়ের সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।