এ ঘটনায় মামলা দায়ের করার পর ওই হাতির মাহুত আব্দুর রউফকে গ্রেফতার করে মঙ্গলবার সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
রউফের বাড়ি উপজেলার বনকুড়া গ্রামে। আর হাতির মালিক আবদুল করিম মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। এর আগে সোমবার সকালে হাতিটি উদ্ধার করে শেরপুরের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তারা।
.png)
বন বিভাগের মধুটিলা রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুল করিম জানান, হাতির মাউত আব্দুর রউফ মালিক আবদুল করিমের কাছ থেকে ভাড়ায় এনে হাতি দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে হাটবাজারে অবৈধভাবে চাঁদাবাজি করে আসছিল। গত রোববার নালিতাবাড়ী উপজেলার বনকুড়া গ্রামে শিকলবন্দী ওই হাতিটি পরিবেশবাদী সংগঠন সবুজ আন্দোলনের নেতাদের নজরে আসলে তারা বন বিভাগ ও পুলিশ প্রশাসনকে অবগত করেন। পরে বন বিভাগের কর্মকর্তারা হাতিটি উদ্ধার করে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করার পর পুলিশ হাতির মাউত আব্দুর রউফকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরন করেন।
মামলার বাদী বন বিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আলম বলেন, হাতি পালনের বৈধ কাগজপত্র না থাকায় হাতির মালিক আবদুল করিম ও মাহুত আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শেরপুরের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে হাতিটি উদ্ধার করে মধুটিলা ইকোপার্কে রেখে দিয়েছি। হাতি লালন পালনের বৈধ কোনো কাগজপত্র তথা লাইসেন্স না থাকায় তাদের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী ও নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় হাতির মাহুত কারগারে গেলেও মালিক পলাতক রয়েছেন।