মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে আরিফকে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার কুন্দরপাড়া থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে মদন থানায় নেয়ার পর বুধবার দুপুরে আরিফকে নেত্রকোনা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। একইদিন স্কুলছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আরিফ উপজেলা পৌর সদরের বাড়ীভাদেরা গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, অপহৃত স্কুলছাত্রী উপজেলা পৌর সদরের একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। করোনার কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর স্কুলে ক্লাস শুরু হয়। প্রতিদিনের ন্যায় ৭ এপ্রিল স্কুলছাত্রী বিদ্যালয়ে যায়। বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে বখাটে আরিফ মিয়া স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে। দীর্ঘ ২০ দিন পর ২৬ এপ্রিল মঙ্গলবার তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মদন থানার এসআই মো. আজিজুর রহমান ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার কুন্দরপাড়া একটি বাসা থেকে স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে। একই বাসা থেকে অপহরণকারী আরিফকে গ্রেফতার করা হয়।
.png)
এ ব্যাপারে মদন থানার ওসি মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম জানান, ভিকটিমের বাবার দায়েরকৃত মামলার প্রেক্ষিতে ফরিদপুর থেকে স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার এবং অভিযুক্ত গ্রেফতার করা হয়েছে। আরিফকে বুধবার নেত্রকোনা জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।