নিহতের চাচাতো ভাই রহমাতুল্লাহ জানান, ৮ বছর আগে অলিউল্লাহকে বিয়ে করানো হয়েছে। ছয় বছর বয়সী একটি মেয়েও রয়েছে তাদের সংসারে। বেশ কিছু দিন ধরে তার মধ্যে কিছুটা মানসিক সমস্যা দেখা দিলে পরিবারের পক্ষে চিকিৎসা চলমান ছিল। কিছুদিন ধরে প্রায়ই আত্মহত্যা করতে দড়ি নিয়ে বিভিন্ন গাছে উঠে যেত। পরিবারের লোকজন টের পেয়ে গাছে থেকে নামিয়ে আনেন।
তিনি আরো জানান, গতকাল থেকেই অলিউল্লাহ নিখোঁজ ছিলেন। বাড়ির লোকজন সারারাত টর্চলাইট নিয়ে বিভিন্ন বাড়িতে ও জঙ্গলে খোঁজাখুঁঁজি করেও পায় নি। শুক্রবার সকালে বাড়ি থেকে কিছু দূরে শাহেদ আলীর বাড়ির জঙ্গলে একটি গাছে স্থানীয়রা ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে খবর দেয়। সেখানে গিয়ে তার লাশ শনাক্ত করা হয়।
.png)
রহমাতুল্লাহ বলেন, অলিউল্লাহ খুবই শান্ত স্বভাবের ছেলে। বাবার সংসারে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি জানান, যে অবস্থায় লাশ ঝুলে আছে এমন অবস্থায় কোনো ব্যক্তি ফাঁস নিয়ে মরতে পারে না। ঘটনাটি রহস্যজনক।
নান্দাইল মডেল থানার ওসি মিজানুর রহমান আকন্দ জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত বলা যাবে।