তারা বলছেন, এখন পূর্ণিমার তিথি চলছে। বজ্রসহ বৃষ্টিপাত না হলেও পরিবেশ মোটামুটি শীতল রয়েছে। শীতল পরিবেশ ডিম ছাড়ার উপযুক্ত সময়। তাই ডিম ছাড়ার পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগে, শুক্রবার নদীর বিভিন্ন স্থানে মা মাছ নমুনা ডিম ছাড়ে। এরপর ডিম আহরণকারীরা নৌকা ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে নদীতে নেমে পড়েন।
.png)
গড়দুয়ারা এলাকার ডিম আহরণকারী কামাল সওদাগর বলেন, শুক্রবার থেকে নদীতে মা মাছের ডিম দেখা যাচ্ছে। শনিবার রাতে ডিমের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। ডিম আহরণকারীরা নদীর পাড়ে অবস্থান নিয়েছেন। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিম ছাড়ার পরিমাণ বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে।