সোমবার দুপুরে পাবনার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আহসান তারেক এ রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জবা খাতুন ঐ উপজেলা মুলাডুলি ইউনিয়নের আড়কান্দি পতিরাজপুর গ্রামের জালাল প্রামাণিকের মেয়ে। এ মামলার প্রধান আসামি সাগর কারাগারে মারা গেছেন।
.png)
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঈশ্বরদী থানার এসআই বিকাশ চক্রবর্তী জানান, ২০১৮ সালের ৪ আগস্ট ঈশ্বরদী শহরের শৈলপাড়া এলাকার আব্দুল মজিদের ছেলে মিঠুনের রিকশায় চড়েন জবা ও তার স্বামী সাগর। ঈশ্বরদীর বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাঘুরির পর রাতে ঈশ্বরদী-পাবনা সড়কের পাশে নির্জন স্থানে দা দিয়ে মিঠুনকে কুপিয়ে হত্যা করেন সাগর। পরে লাশ ফেলে রেখে রিকশা নিয়ে পালিয়ে যান। ঘটনার আটদিন পর মিঠুনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঐ ঘটনায় অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্তে জবা ও সাগরের যুক্ত থাকার প্রমাণ পায় পুলিশ। পরে তাদের গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ ও জবানবন্দিতে আসামিরা হত্যার দায় স্বীকার করেন। জবানবন্দিতে জবা খাতুন জানান- মিঠুন তাকে উত্ত্যক্ত করতেন। সেজন্য পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করেছেন স্বামী-স্ত্রী।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দেওয়ান মজনুল হক জানান, মামলার শুনানি ও যুক্তিতর্কে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামি জবাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে।