ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে বাঁচতে প্রস্তুত চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১০:২৯, ২৬ মে ২০২২
ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে বাঁচতে প্রস্তুত চট্টগ্রাম
ফাইল ছবি

বর্ষা মৌসুম এলেই বেড়ে যায় ডেঙ্গুর প্রকোপ। হাসপাতালগুলোতে বাড়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। তবে সুখবর হলো- এবার ডেঙ্গু মোকাবিলায় আগে থেকেই নানা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য বিভাগ।

সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে তিনজনের। এবার ডেঙ্গুর প্রকোপ না বাড়লেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে তিন সরকারি হাসপাতাল। সেগুলো হলো- চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিসেস (বিআইটিআইডি)। এসব হাসপাতালে প্রস্তুত রাখা হয়েছে আলাদা ব্লক ও শয্যা।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শামীম আহসান বলেন, ডেঙ্গু নিয়ে আমাদের সব প্রস্তুতি রয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো রোগী ভর্তি নেই হাসপাতালে। তবে ভবিষ্যতে এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হলেও তা সামাল দিতে প্রস্তুত রয়েছে চমেক হাসপাতাল।

Advertisement

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, হাসপাতালে এখন পর্যন্ত কোনো ডেঙ্গু রোগী ভর্তি নেই। তবে সরকারি হাসপাতাল হিসেবে যেসব প্রস্তুতি থাকার কথা, সব প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে।

বিআইটিআইডির মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মামুনুর রশিদ বলেন, আমাদের হাসপাতালে কোনো ডেঙ্গু রোগী নেই। কিছু ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী রয়েছে। তবে এটি যেহেতু ডেঙ্গুর মৌসুম, তাই ডেঙ্গু রোগীর জন্য সব প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

এখনই সচেতন না হলে ‘চোখ রাঙাতে পারে ডেঙ্গু’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, রাজধানী ঢাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর চাপ বাড়ছে। তাই আমাদেরও এখন থেকেই সচেতন হতে হবে। প্রথমত উপসর্গ দেখা দিলে কোভিড ও ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে হবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

এদিকে, প্রতিবছর মশক জরিপ চালানোর কথা থাকলেও এ ব্যাপারে বেশ উদাসীন চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য বিভাগ। ২০১৭ সালে একবার ও সর্বশেষ ২০২০ সালে চট্টগ্রামে মশক জরিপ চালানো হয়। ডেঙ্গু মোকাবিলায় নানা প্রস্তুতি গ্রহণের কথা জানানো হলেও মশক জরিপের বিষয়ে নেয়া হচ্ছে না কোনো ব্যবস্থা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আর্থিক ও লোকবল সংকটের কথা জানিয়ে জেলা কীটতত্ত্ববিদ এন্তেজার ফেরদৌস বলেন, চট্টগ্রামে সর্বশেষ ২০২০ সালে মশক জরিপ চালানো হয়েছিল। এরপর থেকে তা আর হয়নি। সামনে যেহেতু ডেঙ্গুর মৌসুম, এখন থেকেই এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।

জেলার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আসিফ খান বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। নিয়মিত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো থেকে ডেঙ্গু আক্রান্তের খবরাখবর নেয়া হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত তেমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!