জানা যায়, মৃত লাইলী বেগম উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের খানুরবাড়ী গ্রামের আতোয়ার হোসেনের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লাইলী বেগমের প্রসব যন্ত্রণা শুরু হলে স্বজনেরা তাকে ভূঞাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক রোগীকে টাঙ্গাইলে রেফার্ড করেন। সেখানে রোগীর স্বজনেরা ক্লিনিকের দালাল শামছুর খপ্পরে পড়েন। দালালের কথায় তারা রোগীকে নিয়ে মা ক্লিনিক অ্যান্ড হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয় রোগীকে। ক্লিনিকের সার্জারি চিকিৎসক ও ভূঞাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার এনামুল হক সোহেল ও অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসক ডা. আল মামুন অস্ত্রোপচার শুরু করেন। একপর্যায়ে অপারেশন চলাকালে রোগী মারা যান। পরে স্বজনদের না জানিয়ে মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে উঠিয়ে টাঙ্গাইলে পাঠিয়ে দেওয়ার সময় স্বজন ও স্থানীয়রা বাধা দেন।
.png)
এ বিষয়ে রোগীর স্বজনেরা জানান, প্রসব যন্ত্রণা শুরু হলে সরকারি হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে দালালের খপ্পরে পড়ে মা ক্লিনিক অ্যান্ড হাসপাতালে নেয়া হয়। হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে রোগীর দুই ঘণ্টা ধরে চিকিৎসা চলে। সেখানে রোগী মারা গেলে ক্লিনিকের সামনে রোগীকে রেখে চিকিৎসক, নার্স ও মালিকেরা পালিয়ে যান।
ভূঞাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. আল মামুন বলেন, মা ক্লিনিকে আনার পর রোগীর উচ্চ রক্তচাপ (প্রেশার) দেখা দেয়। পরে অপারেশনের আগে রোগী বমি করার পরই মারা যান।
ভূঞাপুর থানার ওসি মো. ফরিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ক্লিনিকে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে ক্লিনিকের চিকিৎসক, নার্স ও মালিকেরা পালিয়ে গেছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।