ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

‘ভুল চিকিৎসায়’ প্রাণ গেল ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছাগলের

রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:২৬, ২৫ মার্চ ২০২২
‘ভুল চিকিৎসায়’ প্রাণ গেল ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছাগলের
ছাগলের চিকিৎসায় দেওয়া প্রেসক্রিপশন। ছবি: সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কার্যালয়ে ভুল চিকিৎসায় এক খামারির তোতাপুরি নামে ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বিদেশি জাতের ছাগল মারা গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ নিয়ে শুক্রবার দুপুরে বিচার ও আড়াই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে এক ডাক্তার-মাঠকর্মী ও ওষুধের দোকানির বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত খামারি। 

অভিযুক্তরা হলেন- রায়পুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ডা. মোফাজ্জল হোসেন, মাঠকর্মী আবদুল করিম ও কার্যালয়ের সামনের ওষুধের দোকানি মো. জহির।

Advertisement

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঐ উপজেলার সোনাপুর ইউপির রাখালিয়া গ্রামের আবদুল মান্নান পেশায় একজন ব্যবসায়ী। সম্প্রতি তিনি নিজ বাড়িতে একটি ছাগলের খামার গড়ে তোলেন। বুধবার তার ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা তোতাপুরি ছাগলকে ভিমরুল পোকা কামড় দিয়ে আহত করলে দ্রুত রায়পুর প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কার্যালয়ের ডা. মোফাজ্জল হোসেন কাছে ছাগলটি না দেখেই ভ্যাকসিনের একটি প্রেসক্রিপশন লিখে দেন। ঐ প্রেসকিপশন নিয়ে কার্যালয়ের সামনের ওষুধের দোকানে গেলে দোকানি তিনটি ভ্যাকসিন দেয়। এরপর প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের মাঠকর্মী আবদুল করিম তা পুশ করেন। কিন্তু ছাগলকে যে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা সেটি না দিয়ে অন্য ভ্যাকসিন দেওয়ায় ঐদিন বিকেলে অন্তঃসত্ত্বা ছাগলটি অসুস্থ হয়ে খিচুনি দিতে দিতে মারা যায়।

চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছাগল মারা যাওয়ায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী খামারি মান্নান। অভিযোগ নিয়ে গেলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ডা. মোফাজ্জল হোসেনসহ অভিযুক্ত তিনজন দুর্ব্যবহার করেন বলেও জানান খামারি মান্নান।

জানতে চাইলে প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. আতাউর রহমান বলেন, ঠিক ছিল কিনা এবং কী কারণে এমন হয়েছে তা উদঘাটন না করে এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়। ছাগলের খামারির কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রায়পুর থানার ওসি মিপন বড়ুয়া বলেন, আবদুল মান্নান নামের এক খামারির লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তা তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে একজন এসআইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!