শুক্রবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বগুড়ার ধুনটের জালশুকা হাবিবর রহমান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ লায়লা খাতুন। এর আগে, ২৪ মে অনুষ্ঠিত কলেজে পরিচালনা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
৪৮ বছর বয়সী মুকুল বগুড়া ধুনট উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়নের শৈলমারি গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে। তিনি জালশুকা হাবিবর রহমান ডিগ্রি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ের প্রভাষক। তবে তিনি ধুনট পৌর এলাকার দক্ষিণ অফিসারপাড়া এলাকায় বাসাভাড়া নিয়ে পরিবারসহ থাকতেন। সেখানেই ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন মুকুল।
.png)
সর্বশেষ চলতি বছরের ১২ এপ্রিল সকালে ভাড়া বাসায় মেয়েটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন মুকুল। ওই সময় মেয়েটির চিৎকারে স্বজনরা এগিয়ে এলে কৌশলে বাসা থেকে পালিয়ে যান তিনি। পরে আর বাসায় ফেরেননি। তবে ওই ঘটনার পরপরই মুকুলের পরিবারকে বাসা থেকে বের করে দেয় মেয়েটির পরিবার। পরবর্তীতে ১২ মে সকালে ধুনট থানায় মুকুলের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগীর মা। পরে ওইদিন সন্ধ্যায় মুকুলকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে ধর্ষণ এবং আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও মুঠোফোনে ধারণ করার কথা স্বীকার করেন মুকুল।
অধ্যক্ষ লায়লা খাতুন জানান, কলেজ পরিচালনা কমিটির সভায় নেয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রভাষক মুরাদুজ্জামান মুকুলকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। আদালতের রায়ে তিনি দোষী প্রমাণিত হলে তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে।