বৃহস্পতিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইসমাইল। তিনি বলেন, ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই কালীগঞ্জ উপজেলার অচিনতলা এলাকায় খুন হন গোলাম হোসেন। তাকে ঘুমন্ত অবস্থায় গলায়, কাঁধে, ঘাড়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় মামলা করেন নিহতের বড় ছেলে। মামলায় তদন্ত শুরু হলেও কোনো রহস্য খুঁজে পায়নি পুলিশ। চলতি বছরের মার্চে সপ্তম বারের মতো তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব নেন সিআইডির এসআই জায়েদুল ইসলাম জাহিদ।
এরপর ১০ এপ্রিল গোলাম হোসেনের দ্বিতীয় ছেলে জাহাঙ্গীর আলমকে আটক করে আদালতে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন এ কর্মকর্তা। আদালত দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করলে সুকৌশলে জিজ্ঞাসাবাদে বাবাকে হত্যার কথা স্বীকার করেন জাহাঙ্গীর। এ ঘটনায় আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি।
.png)
জাহাঙ্গীর আলম জানান, ২০০৯ সালের দিকে কবিরাজি চিকিৎসায় তার যৌন ক্ষমতা নষ্ট করে দেন গোলাম হোসেন। পরের বছর বিয়ে করলে বাসরঘরে তিনি বুঝতে পারেন তার যৌন ক্ষমতা নেই। সেই থেকে স্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য শুরু হয়। দীর্ঘ আট বছরের সংসার জীবনে অক্ষমতা নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে কলহ ও বিরোধ লেগে থাকলে বাবার প্রতি ক্ষোভ তৈরি হয়। একপর্যায়ে তাকে হত্যা করলে যৌন ক্ষমতা ফিরে পাবেন ভেবে পরিকল্পনা করতে থাকেন। ঘটনার দিন স্ত্রী ঢাকায় গার্মেন্টসে থাকায় ও হালকা বৃষ্টিতে রান্নাঘর থেকে দা নিয়ে গিয়ে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করেন।