সোনাইছড়ির স্থানীয়রা বাসিন্দা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা বলেছেন, বিস্ফোরণের শব্দ শুনে অনেকের ঘরে থাকা শিশুরা ভয়ে কেঁদে ওঠে। এ সময় আশপাশের মসজিদের মাইকে দুর্ঘটনাকবলিত এলাকায় না যাওয়ার জন্য বারবার ঘোষণা দেওয়া হয়।
শনিবার রাত পৌনে এগারোটার দিকে কন্টেইনার ডিপোটিতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণ স্থল থেকে এখনো উঠছে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনায় চারজন নিহত ও দেড়শতাধিক মানুষ আহত হওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। হতাহত ব্যক্তিদের মধ্যে ডিপোর শ্রমিকদের পাশাপাশি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা রয়েছেন।
.png)
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আহত রোগী নিয়ে আসা আব্দুল করিম বলেন, ‘প্রথমে আগুন জ্বলতে দেখেছি। কয়েক মিনিট পর শক্তিশালী বিস্ফোরণ। আমার বাড়ি ঘটনাস্থল থেকে এক কিলোমিটার দূরে। আশপাশের প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকা এই বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে।’
ডিপোর মুখে রাত থেকেই ভিড় করছেন অনেকে। আতঙ্কিত মুখগুলো থেকে বেরোচ্ছে একটাই বাক্য—এমন বিকট শব্দ কখনো শুনিনি! তবে দুপাশের বাসিন্দাদের বেশিরভাগই নিরাপদ দূরত্বে সরে গেছেন। অনেক ঘরবাড়ির জানালা-দরজার কাচ ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। এর মধ্যে ডিপোর কর্মীদের অনেকেই বেরিয়ে আসেন। তখনো ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে। হঠাৎ কনটেইনারের বিস্ফোরণ ঘটে।
এ ঘটনায় আড়াই শতাধিক আহত ও দগ্ধ হয়েছেন। এখন পর্যন্ত চারজনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ।