রোববার খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক এসএম আশিকুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। এ মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পেয়েছেন পাঁচজন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামির নাম সিরাজুল ইসলাম মামুন। তিনি দৌলতপুর উপজেলার পাবলা মধ্যপাড়া এলাকার আব্দুল মান্নানের ছেলে।
.png)
আদালতের পিপি কাজী সাব্বির আহমেদ জানান, ২০০৫ সালের ২৩ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে মিজানুর রহমান খান বাবলুসহ আরো কয়েজন দৌলতপুর থানা এলাকার এএস ট্রেডার্স নামে একটি গ্যাসের দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। ওই সময় দোকানকে লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপ করে কয়েকজন দুর্বৃত্ত। এতে ক্ষতবিক্ষত হয় বাবলুর বুক। এ সময় আরো কয়েকজন আঘাতপ্রাপ্ত হন।
মারাত্মক অবস্থায় বাবলুকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন নিহতের বড় ভাই আশরাফ আলী খান।
এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দৌলতপুর থানা এলাকার পাবলা মধ্যপাড়া এলাকার আব্দুল মান্নানের ছেলে সিরাজুল ইসলাম মামুনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আদালতে এ হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা ও আটজন আসামির নাম উল্লেখ করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এ মামলায় অন্যান্য আসামিরা হলেন- আশরাফুজ্জামান আরিফ ওরফে তিলা আরিফ, এস এম আবু সাইদ, মো. তৌহিদুজ্জামান তৌহিদ, মিজান, আশরাফুজ্জামান বাবু ওরফে কমাণ্ডার বাবু, রেজাউল ইসলাম ওরফে আলম ওরফে শহীদ, শাহাদাৎ হোসেন ওরফে লিটন ওরফে খোড়া লিটন ও মো. শাহিন বিশ্বাস ওরফে শাহীন ওরফে ভাগিনা শাহীন। এর মধ্যে কয়েকজন আসামি মারা গেছেন। ২০০৬ সালের ৫ মে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নগর গোয়েন্দা শাখার তৎকালীন পরিদর্শক চিত্তরঞ্জন পাল।