তিনি বলেন, নিহতদের প্রত্যেকের ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ টেস্ট করা হবে।
রোববার ভাটিয়ারী এলাকার বিএম ডিপোর অগ্নিকাণ্ডের স্থান পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন
.png)
এদিকে, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিন জানায়, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা ও প্রাথমিকভাবে আহতদের ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের অনেকে হাসপাতালে মরদেহ শনাক্তের পর নিয়ে যেতে চাইছেন। তবে নিহতদের সবার ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ টেস্ট করা হবে। যাবতীয় নিয়ম অনুসরণ করে পরিবার ও স্বজনদের মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
বিভাগীয় কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিন জানান, ডিপোর ভেতরের পরিবেশ ভালো নয়। আপনারাও দেখছেন, একটু পর পর কনটেইনার বিস্ফোরণ হচ্ছে। পাশাপাশি ধোঁয়ার পরিমাণও বেশি। তবে ডিপোর লোকজন নেই। তাই কাজ করতে বা পরিস্থিতি সামাল দিতে বেগ পেতে হচ্ছে। রাসায়নিক পণ্য থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না।
মো. আশরাফ উদ্দীন বলেন, ডিপোর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৫০ থেকে ২০০ জনের একটা বিশেষজ্ঞ দল এসেছে। আশা করছি, তারা একটা ব্যবস্থা নেবেন। পাশাপাশি আমাদের পরিবেশ বিশেষ করে নদী দূষণ যেন না হয় সেদিকে আমরা খেয়াল রাখছি।
উল্লেখ্য, শনিবার রাতে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগার পর বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসংলগ্ন সীতাকুণ্ডের শীতলপুর এলাকায় ৭০ কানি জায়গার ওপর কনটেইনার ডিপোটি অবস্থিত।