বৃহস্পতিবার খুলনা বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার এক আদেশে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে, বুধবার দুপুরে আদালতে হাজির হয়ে তিনি জামিনের আবেদন করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
.png)
তিনি বলেন, খুলনার খালিশপুর এলাকার বাসিন্দা তৌহিদুর রহমান বাবু ওরফে মাসফু বাবু ও তার সহযোগীরা ২০০৩ সালে এবি ব্যাংক, ধানমন্ডি শাখায় এফডিআর ও সঞ্চয়পত্র জমা দেখিয়ে তার বিপরীতে খুলনায় জনতা ব্যাংক কর্পোরেট শাখা থেকে এক কোটি ৫৬ লাখ টাকা এসওডি ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ করেন। পরে এফডিআরের কাগজপত্রে জাল-জালিয়াতি ধরা পড়লে ২০০৬ সালের ৭ ডিসেম্বর দুদক খুলনা থানায় মামলা করে।
মামলায় সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। অন্য আসামিরা হচ্ছেন- তৌহিদুর রহমানের মামা নজরুল ইসলাম, মামি শরবরী ইসলাম, ব্যাংক কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান, এসএম আমিরুল হক, এইচএম বারিক বাদল ও সুবোধ কুমার দে।
আইনজীবী খন্দকার মজিবর রহমান জানান, দুই ব্যাংকের লোন শাখার কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। তৌহিদুর রহমান বাবু ভুয়া এফডিআর চক্রের হোতা। নামে-বেনামে তিনি বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ভুয়া এফডিআরের বিপরীতে ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন।