এর আগে, গতবছর করোনাকালে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ছয় নবজাতকের জন্ম হয়েছিল।
গত মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী দিন বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা এসব প্রসূতি মায়েদের ডেলিভারি (প্রসব) সফলভাবে সম্পন্ন করে।
.png)
এতে ১৪ নবজাতক জন্ম হয় বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুরজিত দত্ত।
জানা গেছে, বিনা অস্ত্রোপচারে গত ২৪ ঘণ্টায় জন্ম নেয়া নবজাতকদের মধ্যে ৬টি ছেলে ও ৮টি মেয়ে। তাদের প্রত্যেকের গর্ভধারিণী মা ও তারা (নবজাতক) সুস্থ আছে। প্রত্যেক নবজাতক ও তাদের মায়েরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়ে দুপুরের মধ্যেই বাড়ি ফিরে গেছেন।
আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সোহানিয়া আক্তার বিল্লাহর নেতৃত্বে কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার, নার্স ও ধাত্রীসহ সংশ্লিষ্টরা এসব ডেলিভারি (প্রসব) সম্পন্ন করেন। তাৎক্ষণিকভাবে ইউএইচএফপিও ওয়ার্ডে গিয়ে ১৪ জন প্রসূতি মায়েদের আকর্ষণীয় গিফট প্রদান করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রসূতি মায়েদের প্রসব সেবায় আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চলমান থাকবে- এমনটা জানিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুরজিত দত্ত জানান, হাটহাজারী তথা অত্র অঞ্চলের জনসাধারণের স্বাস্থ্যসেবায় পাশাপাশি আমরা প্রসূতিতে সেবা প্রদানে অনেক সচেষ্ট রয়েছি। উপজেলার জনসাধারণের স্বাস্থ্যসেবায় আমাদের দ্বার সবসময় উন্মুক্ত। স্বাস্থ্যসেবা ও সব প্রকার প্রসূতি সেবা প্রদানে টিম হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বদ্ধপরিকর।
প্রসঙ্গত, গত ২৫ মে সন্ধ্যা ৬টা থেকে বিনা অস্ত্রোপচারে ১২ ঘণ্টায় একটি ছেলে ও পাঁচটি মেয়ে এবং গত ১০ মে রাত ৮টা থেকে ১২ ঘণ্টায় সাতটি ছেলে ও দুইটি মেয়ে নবজাতকের জন্ম হয়েছিল।