এরপর কেটে গেল অনেক দিন। মেয়ের সন্ধান না পেয়ে স্বজনরা হয়ে পড়েন দিশেহারা। হঠাৎ তারা দেখতে পেলেন আশার আলো। ছুটে গেলেন বগুড়ায়। নিখোঁজের ১৯ দিন পর বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় পাওয়া গেল সেই কিশোরীর সন্ধান। একই সঙ্গে তাকে অপহরণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হলো তারেক হোসেন নামে এক যুবককে।
ঐ কিশোরীকে উদ্ধার ও তাকে অপহরণের অভিযোগে তারেককে গ্রেফতার করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। বগুড়ার র্যাব ক্যাম্পের সদস্যরা শাজাহানপুর উপজেলায় এ অভিযান চালিয়ে পান সফলতা। শুক্রবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বগুড়া র্যাব ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম।
.png)
এর আগে, বৃহস্পতিবার বিকেলে ঐ কিশোরীকে উদ্ধার এবং অপহরণকারীকে করা হয় গ্রেফতার। গ্রেফতারকৃত তারেক হোসেন নরসিংদী সদরের হাসনাবাদ গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম শরিফ হোসেন। উদ্ধার হওয়া কিশোরীও নরসিংদীর বাসিন্দা।
র্যাব জানায়, গত ২৫ মে সকালে ঐ কিশোরী নিজ বাড়ি থেকে বের হয়। বাবাকে সে জানায় ঢাকার হাতিরঝিলে তার বান্ধবীর বাড়িতে যাবে। পরে জানা যায় মেয়েটি তার বান্ধবীর বাড়িতে যায়নি। অনেক খোঁজ করেও তার সন্ধান মেলেনি। পরবর্তীতে মেয়েকে উদ্ধারের জন্য হাতিরঝিল থানায় অভিযোগ করেন বাবা। এক পর্যায়ে তিনি জানতে পারেন তার মেয়েকে নিয়ে অপহরণকারী বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় অবস্থান করছেন। বিষয়টি জানার পর পরই বগুড়া র্যাব ক্যাম্পে অভিযোগ করেন। এরপর অভিযান চালিয়ে ঐ কিশোরীকে উদ্ধার ও অপহরণকারীকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতারকৃতকে হাতিরঝিল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
র্যাব কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞসাবাদে গ্রেফতারকৃত তারেক ঐ কিশোরীকে অপহরণ করার বিষয়টি স্বীকার করেছে। তারেক জানায়- কিশোরীকে অপহরণের পর বগুড়ায় নিয়ে আসে। তারেককে হাতিরঝিল থানায় ও কিশোরীকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।