ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

রক্তাক্ত স্বামীর চিৎকার, পাশেই দাঁড়িয়ে দেখছিলেন পরকীয়া স্ত্রী

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৩:১১, ২০ জুন ২০২২
রক্তাক্ত স্বামীর চিৎকার, পাশেই দাঁড়িয়ে দেখছিলেন পরকীয়া স্ত্রী
নিহত ফরিদ শেখ ছবি: সংগৃহীত

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে। রোববার রাতে উপজেলার কুশলা ইউপির ধোড়ার গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।  

জানা গেছে, ধোড়ার গ্রামের ইয়ার আলী শেখের ছেলে ফরিদ শেখ দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার একটি হোটেলে বাবুর্চির কাজ করতেন। এ সময়ে ফরিদ শেখের স্ত্রী মুক্তা বেগম একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই কলহ লেগে থাকত।  

রোববার রাতে ফরিদ শেখের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যান। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর রাতে ফরিদ শেখ মারা যান।

Advertisement

ফরিদ শেখের বাবা ইয়ার আলী শেখ বলেন, আমার ছেলের সঙ্গে পুত্রবধূ মুক্তা বেগমের প্রায়ই ঝগড়া হতো। মুক্তা বেগম বিভিন্ন সময়ে আমার ছেলেকে হত্যার হুমকি দিতো। এ ঘটনায় আমার ছেলে কোটালীপাড়া থানায় একটি জিডিও করেছিল। আমার ধারণা মুক্তা বেগমই আমার ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করেছে।

তিনি আরো বলেন, মুক্তা বেগমের অত্যাচারে আমরা ফরিদের বাড়িতে থাকতে পারতাম না। ফরিদের বাড়ির পাশেই বাড়ি করে সেখানে বসবাস করছি। ঘটনার রাতে ফরিদের চিৎকার শুনে এসে দেখি ফরিদের পাশে মুক্তা বেগম দাঁড়িয়ে আছে। 

এই ঘটনার পর মুক্তা বেগমকে এলাকায় খোঁজে না পাওয়ার কারণে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।  

কোটালীপাড়া থানার ওসি মো. জিল্লুর রহমান বলেন, কে বা কারা ফরিদ শেখকে হত্যা করেছে- সেটি এখনো জানা যায়নি। আমরা ফরিদ শেখের হত্যাকারী এবং কোন কারণে হত্যা করেছে- তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
ট্যাগ: গোপালগঞ্জ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!