রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. শহিদুজ্জামান খান পিটু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৬ মে মো. কামাল হোসেন নিজ গ্রামের মো. ইসমাইল মোল্লার স্ত্রীর কুলখানী শেষে ফেরার পথে মামলার প্রধান আসামি চান মিয়া ও তার সঙ্গীরা কামালের উপর ঝাপিয়ে পড়ে। একপর্যায়ে কামালের বুকে কাতরা দিয়ে কোপ দেয়। এতে কামাল ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
.png)
পরে নিহতের বাবা মো. শাহাদাৎ ফকির বাদি হয়ে কাশিয়ানী থানায় ২৮ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
আইনজীবী মো. শহিদুজ্জামান খান পিটু বলেন, রায়ে আমরা পুরাপুরি সন্তুষ্ট হতে পারিনি। বাদীর সঙ্গে কথা বলে আপিলের সিদ্ধান্ত নেব।