সোমবার ঢাকার ৮ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ সৈয়দা হাফছা ঝুমার আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি এরফান ও রাব্বিকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরো এক বছর কারাভোগ করতে হবে।
এছাড়া আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া মাসুমকেও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
.png)
রায় ঘোষণার আগে তুহিনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। মাসুম পলাতক রয়েছে। অপর দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণা শেষে তিন আসামিকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
আরো পড়ুন> সম্রাটের জামিন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি ৬ জুন
মামলা সূত্রে জানা গেছে, মামলার ভিকটিম ও আসামিরা শ্যামপুরের জুরাইন এলাকায় বাস করতেন। তুহিন ভিকটিমের বোনকে প্রায় বিরক্ত করতো। এ নিয়ে পাভেল ও তুহিনের মধ্যে বিরোধ ছিল। ২০১৮ সালের ৩ নভেম্বর রাতে এলাকায় ধূমপান করছিল। পাভেল তাকে ধূমপান করতে নিষেধ করে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পাভেলকে হত্যার হুমকি দিয়ে তুহিন চলে যায়। পরে রাত সাড়ে ১০ টার দিকে জুরাইন নতুন রাস্তা খাদ্য ভবনের পাশে পাভেল তার বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করছিল। এ সময় আসামিরা পাভেলের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করে। পাভেলকে তার বন্ধুরা হাসপাতালে নিয়ে যান। পরদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান পাভেল। এ ঘটনায় ঐ দিনই পাভেলের বাবা মনির হোসেন শ্যামপুর থানায় মামলা করেন।
মামলাটি তদন্ত করে ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর চারজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন পিবিআই’র সাব-ইন্সপেক্টর মাসুদ খান।