এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার নগরীর খালিশপুর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের নামে মামলা করেন নিহতের বোন হুমায়রা। তবে মুন্না আইনের চোখে অপরাধী হলেও তার এলাকার ব্যবসায়ীদের কাছে ‘ভালো মানুষ’ ছিলেন বলে জানা গেছে।
বুধবার রাতে নগরীর মুজগুন্নি বাসস্ট্যান্ডে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও একাধিক হত্যা মামলার আসামি মুন্না। তিনি দিঘলিয়া উপজেলার সুগন্ধী গ্রামের সোহরাব মোল্লার ছেলে ও স্থানীয় সেনহাটি বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
.png)
দিঘলিয়া থানার ওসি আহসান উল্লাহ চৌধুরী জানান, মুন্নার বাড়ি দিঘলিয়া হলেও তিনি নগরীর মুজগুন্নি এলাকায় তার নানাবাড়িতে পালিয়ে থাকতেন। সেখান থেকেই বাজার কমিটি পরিচালনা করতেন।
সেনহাটি বাজার কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, দুই মেয়াদে পাঁচ বছর ধরে সাধারণ সম্পাদক মুন্না। কমিটির নির্বাচন করলেও তাকে বাজারে আসতে হতো না। নিরাপদে থাকতে ব্যবসায়ীরা তাকে ভোট দিয়ে জয়ী করতেন। এ জন্য বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছে তিনি ‘ভালো মানুষ’। তার সময়ে কারও দোকান দখল হয়নি, কাউকে চাঁদাও দিতে হয়নি। ব্যবসায়ীরা মুন্নার খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান।
নিহতের ভাই জাকারিয়া হোসেন বলেন, কারা, কী কারণে মুন্নাকে হত্যা করেছে- তা স্পষ্ট নয়। জানাজা শেষে তার লাশ দাফন করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
খালিশপুর থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মুন্নার বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা মামলা আছে। এসব ঘটনায় ভুক্তভোগীরাই হয়তো তাকে মেরে ফেলেছেন। আইন অনুযায়ী তার খুনিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।