শনিবার দুপুরে লাশটি উদ্ধার করা হয়। পাহাড়তলী থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, খবর পেয়ে কাউন্সিলরের ছেলে নওশাদুলের বাসা থেকে তার স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করেছি। বাসার বিছানায় লাশ পেয়েছি। কাউন্সিলরের পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন রেহনুমা আত্মহত্যা করেছেন। তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করেছেন নওশাদুলের পরিবারের সদস্যরা।
.png)
ওসি মোস্তাফিজুর বলেন, আমরা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে। তদন্ত করে বিষয়টি দেখছি।
নওশাদুল আমিন ও রেহেনুমা ফেরদৌসের দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।