মুন্সিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশে শনিবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সেটু কুমার বড়ুয়া, মুন্সিগঞ্জ সদর থানা ও মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশের উপস্থিতিতে পারিবারিক কবরস্থান থেকে মরদেহটি তোলা হয়।
জানা গেছে, মতলব দক্ষিণ উপজেলার নায়েরগাঁও উত্তর ইউনিয়নের ঘোনা গ্রামের মজিবুর রহমান মুন্সিগঞ্জের সিপাইপাড়ায় রেস্টুরেন্টের ব্যবসা করতেন। ১০ বছর আগে মুন্সিগঞ্জের বল্লোল এলাকার রিনা বেগমকে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের পর থেকে রিনা বেগম স্বামী মজিবুরকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দিতেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।
.png)
গত ২২ এপ্রিল মজিবুর বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন জানিয়ে রিনা বেগম তার স্বামীর লাশ মতলবে পাঠিয়ে দেন। প্রথমে মজিবুর রহমানের পরিবার তা বিশ্বাস করে লাশ দাফন করে ফেলে। কিন্তু লাশের সঙ্গে মজিবুরের স্ত্রী না আসায় সন্দেহ হলে মজিবুরের বাবা বাদী হয়ে রিনা বেগম, রেস্টুরেন্টের কর্মচারী শাওনসহ আরো অজ্ঞাত ছয়জনকে আসামি করে মুন্সিগঞ্জ আদালতে মামলা করেন। সেই মামলায় আদালতের নির্দেশে মজিবুরের লাশ কবর থেকে তোলা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সেটু কুমার বড়ুয়া বলেন, মুন্সিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশক্রমে মজিবুরের মরদেহ কবর থেকে তোলা হয়েছে। পরে তা ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে ফের দাফন করা হবে।
মজিবুরের বোন খাদিজা আক্তার বলেন, আমার ভাইকে ভাবি ও তার লোকজন মেরে ফেলেছে। ওরা আমাদের খবর পর্যন্ত দেয়নি।
মামলার বাদী খলিলুর রহমান বলেন, সম্পত্তি আত্মসাৎ করার জন্য রিনা বেগম, শাওন ও আরো কয়েকজন মিলে পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলেকে হত্যা করেছে। হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।