জানা যায়, পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে গরু ব্যবসায়ী শাহিন ও ইউনুচ শনিবার ভোরে দুজন শ্রমিক নিয়ে দুটি ট্রলিযোগে ২৬টি গরু বিক্রির জন্য পার্শ্ববর্তী ভাণ্ডারিয়া পৌর বাজারে যান। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গরু বিক্রি শেষে তারা ওই ট্রলিতে করে মঠবাড়িয়ায় ফেরার পথে তুষখালী হাওলাদার ফিলিং স্টেশনের সম্মুখ সড়কে পৌঁছামাত্র বেপরোয়া গতিতে ঢাকা থেকে আসা পাথরঘাটাগামী যাত্রীবাহী বনফুল পরিবহনের বাস তাদের পেছন থেকে চাপা দেয়। এতে ট্রলিটি দুমড়ে মুচড়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলে দুজন নিহত ও তিনজন আহত হন।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হিরু সিকদার ও জাহাঙ্গীরকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্য তিনজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
.png)
মঠবাড়িয়া থানার ওসি মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম বাদল জানান, এ ঘটনায় বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে চালক, গাড়ির হেলপার ও সুপারভাইজার পলাতক রয়েছেন। আর নিহতরা হলেন মঠবাড়িয়া উপজেলার উত্তর সোনাখালী গ্রামের হিরু সিকদার এবং একই গ্রামের জাহাঙ্গীর ফকির। তাদের দুইজনেরই বয়স ৫০ এর ওপরে।
প্রত্যক্ষদর্শী সাইফুল ইসলাম জানান, সকালে তারা পাঁচ জন অটোরিকশায় ভাণ্ডারিয়ার হরিণপালা ইকো পার্কে যাচ্ছিলেন। এ সময় বনফুল গাড়ির চাপায় গরু বেপারিদের রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখেন। তারা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
প্রত্যক্ষদর্শী অটোচালক মিজান খান বলেন, জাহাঙ্গীর ও হিরু মিয়া গরু বিক্রি করে ভাণ্ডারিয়া থেকে একটি ট্রলিতে মঠবাড়িয়া উদ্দেশ্যে আসছিলেন। পথিমধ্যে ঘাতক বনফুল পরিবহন পেছন থেকে ধাক্কা দিলে গাড়ি থেকে ছিটকে পড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলে তারা নিহত হন।