শনিবার দুপুরে উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নের টেপারহাট এলাকায় নিজবাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত রবিউল আউয়াল ঐ উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নের টেপারহাট এলাকার আব্দুল বাতেনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকালের দিকে রবিউলের বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে যাতায়াতকারীরা দুর্গন্ধ পান। দুর্গন্ধের উৎপত্তি খুঁজতে কয়েকজন জানালা দিয়ে রবিউলের ঘরের ভেতরে তাকাতেই একটি অর্ধগলিত মরদেহ দেখতে পান। পরে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে মরদেহটি রবিউলের বলে শনাক্ত করে পুলিশে খবর দেন তারা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ঐ যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।
.png)
রবিউলের বড়ভাই নজরুল ইসলাম জানান, রবিউল মানসিক ভারসাম্যহীন। এ কারণে কয়েক বছর আগে তার স্ত্রী তাকে তালাক দিয়ে চলে যায়। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। মানসিক সমস্যা থাকার কারণে রবিউল প্রায় তার ছেলে-মেয়েকে মারধর করতো। এ কারণে মেয়েটিকে তার মামারা নিয়ে যায় এবং ছেলেটি ডিস লাইনের কাজ করে বাজারের পাশেই তার নানি বাড়িতে থাকে।
আদিতমারী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোজাম্মেল হক বলেন, এটা হত্যা নাকি স্বাভাবিক মৃত্যু এখন কিছুই বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই বিষয়টা জানা যাবে। তারপরেও পুলিশ তার মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে কাজ করছে।