নিহতের স্বজনদের দাবি, স্বামীর পরকীয়া সম্পর্কে বাধা দেওয়ায় রুবি আক্তারকে হত্যা করা হয়েছে।
বুধবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বড়াকোঠা ইউপিতে বড়াকোঠা গ্রাম থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
.png)
নিহত রুবি আক্তার বামরাইল ইউপির হস্তিশুন্ড গ্রামের বজলু হাওলাদারের মেয়ে। বড়াকোঠা গ্রামের স্বপন বেপারীর সঙ্গে ১৩ বছর আগে রুবি আক্তারের বিয়ে হয়। স্বপন বেপারী ও রুবি আক্তারের সংসারে দুই ছেলে সন্তান রয়েছে।
রুবি আক্তারের ভাই মো. রাসেল জানান, স্বপন বেপারীর সঙ্গে আরেক মেয়ের পরকীয়া সম্পর্ক চলে আসছিলো। স্বামীর পরকীয়া সম্পর্কে বাধা দেন তার বোন রুবি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিলো। উভয় পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হয়। মঙ্গলবার রাতে স্বামী স্বপনের মোবাইলে এক মেয়ের অশ্লীল ছবি দেখতে পান রুবি। এ নিয়ে স্বামীর সঙ্গে রুবির বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে স্ত্রীকে পিটিয়ে এবং শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন স্বপন বেপারী।
রুবির বাবা বজলু হাওলাদার বলেন, ‘জামাইয়ের বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কে বাধা দেয়ায় আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। সুষ্ঠু বিচার চাই৷’
অভিযোগ অস্বীকার করে স্বপনের ভাই সাইদুল বেপারী বলেন, ‘ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে রুবি। তাকে কেউ হত্যা করেনি।’
উজিরপুর থানার ওসি (তদন্ত) মমিন উদ্দিন বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রুবির পরিবার অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এলে বলতে পারব হত্যা নাকি আত্মহত্যা।