পানি কমতে থাকায় জেলাজুড়ে চলছে মাছ ধরার ধুম। এসবের মধ্যে দেশি জাতের মাছই বেশি। নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ী ও জোড়াবাড়ী ইউনিয়নে দেখা যায়, শুকিয়ে যাওয়া খাল-বিলে মাছ ধরছেন সব বয়সী নারী-পুরুষ। কেউ জাল দিয়ে, কেউ পানি ছেঁকে মাছ ধরছেন। আবার অনেকে হাত দিয়েও ধরছেন মাছ। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মাছ ধরতে দেখা যায়।
ডোমার উপজেলার বড়রাউতার গ্রামের গোলাম মোস্তফা বলেন, বাড়ির পাশের একটি খালের পানি হাঁটুর নিচে নামায় জাল দিয়ে মাছ ধরছি। দুই কেজির মতো মাছ পেয়েছি। এর মধ্যে এক কেজি মাছ ২০০ টাকায় বিক্রি করেছি।
.png)
উপজেলার বাকডোকরা গ্রামের নয়নবালা বলেন, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ধরে এক কেজির মতো মাছ পেয়েছি। দেশি জাতের মাছ পাওয়া যাচ্ছে বেশি।
তিস্তার চর এলাকার বাসিন্দা রহিমা বেগম জানান, পানি শুকিয়ে যাওয়ায় এলাকার সব বয়সী নারী-পুরুষ মাছ ধরছেন। একজন দিনে তিন থেকে চার কেজি পর্যন্ত মাছ ধরতে পারছেন। অনেকে এ মাছ বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন।
একই উপজেলার তালতলী গ্রামের সাজু বলেন, সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ধরলে প্রায় পাঁচ কেজির মতো মাছ পাওয়া যায়। অনেকই দূরদূরান্ত থেকে মাছ কিনতে আসেন। তিনি গত কয়েকদিনে প্রায় আড়াই হাজার টাকার মাছ বিক্রি করেছেন বলেও জানান।
মাছ কিনতে আসা রওশন বলেন, দেশি মাছের স্বাদ অনেক বেশি। এজন্য পাঁচ কিলোমিটার দূরের গ্রাম থেকে মাছ কিনতে এসেছি।