সন্তানের স্বীকৃতি না পাওয়া পর্যন্ত তিনি অনশন চালিয়ে যাবেন বলেও জানিয়েছেন।
মরিয়ম দিনাজপুরের পার্বতীপুর থানার শিবরামপুর এলাকার সোলায়মান মন্ডলের মেয়ে। জেলার ডোমার উপজেলার হরিনচড়া ইউপির পিঁপাড়ার বাজার নামক এলাকায় সুজনের বাড়িতে ওই নারী সন্তানসহ অবস্থান নেন। সুজন ডোমার উপজেলার হরিনচড়া ইউপির পিঁপাড়ার বাজার এলাকার মো. আজিজুল হকের ছেলে।
.png)
মরিয়ম বেগম জানান, মোবাইলের মাধ্যমে পরিচয়ের পর সুজনের সঙ্গে তার প্রেমের শুরু। বছরখানেক পর ২০১৪ সালের ২০ মার্চ ঢাকায় তারা বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই থাকেন ঢাকায়। সুজনের বাড়িতে বিয়ের বিষয়টি জানাজানি হলে পরিবার তার লেখাপড়ার খরচ বন্ধ করে দেয়। তখন মরিয়মই চাকরি করে স্বামীর লেখাপড়ার খরচ জুগিয়েছেন। এরই একপর্যায়ে তিনি সন্তানসম্ভবা হন। তিন মাসের অন্তঃস্বত্ত্বা স্ত্রীকে রেখে অন্যত্র চলে যান সুজন।
মরিয়ম জানান, ‘বাবা কোথায়’ মেয়ে জানতে চাইলে কোনো উত্তর দিতে পারেন না মরিয়ম। সে কারণেই এবার সন্তানের পিতৃ পরিচয়ের দাবি নিয়ে স্বামীর বাড়িতে হাজির হয়েছেন তিনি। এরইমধ্যে গত রোজার ঈদের আগ পর্যন্ত সুজন নাকি তাকে ধৈর্য্য ধরতেও বলেন।
সুজনের মা বলেন, কোনো কাগজ দেখাতে না পারায় স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে দেড় লাখ টাকায় বিষয়টির মিমাংসা হয়েছিলো। তবে মেয়েটি তারিখ অনুযায়ী না আসায় তাকে টাকা দেওয়া সম্ভব হয়নি। এরপর পারিবারিকভাবে ২০১৫ সালের ৫ মার্চ ছেলেকে বিয়ে দিই। আজ সকালে হঠাৎ করে মেয়েটি সন্তানসহ বড়বোন ও দুলাভাইকে নিয়ে আমাদের বাড়িতে ঢুকে পড়ে।
হরিনচড়া ইউপি চেয়ারম্যান রাসেল রানা জানান, সন্তান নিয়ে মরিয়ম আক্তার নামের এক নারী এক বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন। ঘটনাস্থলে গেলে বিষয়টি পুরোপুরি বোঝা যাবে। দুই পরিবারের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।