রোববার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চে আইনজীবীর বিষয়টি নজরে আনেন।
বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করে আইনজীবী সৈয়দ মাহসিব হোসাইন শিশুর দেখভাল ও ভবিষ্যতের জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে আদালতের কাছে স্বপ্রণোদিত আদেশ প্রার্থনা করেন। তখন আদালত তাকে বিষয়টি আবেদন আকারে নিয়ে আসতে বলেন।
.png)
ব্যারিস্টার মাহাসিব হোসেন বলেন, ময়মনসিংহের ত্রিশালে ট্রাকচাপায় নিহত হন এক অন্তঃসত্ত্বা নারী, তার স্বামী ও মেয়েসহ তিনজন। ওই ঘটনায় বিভিন্ন মাধ্যমে খবর দেখার পর রাত থেকে কিছুই ভালো লাগছিলো না। তাই কোর্টে আবেদন করবো বলে ভাবছিলাম।
‘এত দ্রুত আবেদন প্রস্তুত করা সম্ভব না হওয়াই বিষয়টি আদালতের নজরে এনে সুয়োমোটো আদেশ দেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলাম। কিন্তু আদালত আবেদন আকারে নিয়ে আসতে বলেছেন। এখন দেখি শিশুসহ ওই পরিবারের বেঁচে থাকা সদস্যদের দায়িত্ব কেউ নেন নাকি। তরপরে আবেদন করার চিন্তা রয়েছে।’
শনিবার ময়মনসিংহের ত্রিশালে ট্রাকচাপায় নিহত হন অন্তঃসত্ত্বা রত্না বেগম, তার স্বামী জাহাঙ্গীর আলম এবং তাদের ছয় বছরের শিশু সন্তান সানজিদা। মারা যাওয়ার আগে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা নারীর সন্তান সড়কেই ভূমিষ্ঠ হয়। শুধু তাই নয়, অলৌকিকভাবে বেঁচেও গেছে সেই নবজাতকটি। ওই নবজাতককে ময়মনসিংহ সদরের সিবিএমসি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ত্রিশালের কোর্ট বিল্ডিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন ত্রিশাল উপজেলার রায়মণি গ্রামের বাসিন্দা।
নিহত জাহাঙ্গীরের চাচাতো ভাই আরিফ রব্বানী বলেন, রত্না বেগম অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তার ডেলিভারির তারিখ দুই দিন পার হয়ে যাওয়ায় তিনি একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আলট্রাসনোগ্রাফি করতে আসেন। এরপর সেখান থেকে ফেরার পথে রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি ট্রাক তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই রত্না ও তার স্বামী-সন্তানের মৃত্যু হয়।