শনিবার রাতে এ ঘূর্ণিঝড় হয়। স্কুলঘরটি বিধ্বস্ত হওয়ায় পাঠদানে ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পৌর শহরের আতিকুর রহমান ভূঞা একাডেমির সহকারী প্রধান শিক্ষক শারমীন রোখশানা।
তিনি বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ে তিনটি টিনশেড ঘর রয়েছে। এর মধ্যে একটি অফিস কক্ষ ও বাকি দুটি শ্রেণি কক্ষ। বিভিন্ন শ্রেণি মিলিয়ে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী রয়েছে ৯ শতাধিক। শনিবার ঘূর্ণিঝড়ে একটি ঘর পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণির প্রায় ৪শ’ শিক্ষার্থীর পাঠদানে বিঘ্ন ঘটছে। তবে আমরা শিফট করে শিক্ষার্থীর পাঠদানের চেষ্টা করছি।
.png)
পল্লী বিদ্যুতের কেন্দুয়া এরিয়া অফিসের ডিজিএম মজিবুর রহমান বলেন, রাতে ঝড়ো বাতাস ও প্রচণ্ড বৃষ্টিতে ৩০টি স্থানে বৈদ্যুতিক খুঁটির ক্ষতি হয়েছে। এরই মধ্যে এসব খুঁটি মেরামত করে সচল করা হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুল আলম বলেন, স্কুলঘর বিধ্বস্ত হওয়ার বিষয়টি শুনেছি। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বিকল্প উপায়ে পাঠদান চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে।