ঢাকা,  বুধবার   ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বিদেশি মদ উদ্ধার, তিন আসামি রিমান্ডে

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৩:৫২, ২৫ জুলাই ২০২২
বিদেশি মদ উদ্ধার, তিন আসামি রিমান্ডে
রিমান্ড। ছবি: প্রতীকী

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় দুই কনটেইনার বিদেশি মদ উদ্ধারের ঘটনায় দুই আসামির তিন দিন করে এবং অপর এক আসামির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। 

আজ সোমবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শামসাদ বেগমের আদালতে পুলিশ তিন আসামির ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করে। 

শনিবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের টিপুরদী এলাকায় তল্লাশি চৌকিতে দুটি কনটেইনার থেকে ৩৬ হাজার ৮১৬ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করে র‌্যাব-১১। উদ্ধারকৃত মদের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪৭ কোটি টাকা। এ ঘটনায় র‌্যাব-১১–এর উপপরিচালক মো. শাহাদাৎ হোসেন বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় মামলা করেন।

Advertisement

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শনিবার ও রোববার ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ এলাকা থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন আহাদুল ইসলাম (২২), মো. নাজমুল হোসেন (২৩) ও সাইফুল ইসলাম (৩৪)। এর মধ্যে নাজমুল ও সাইফুলকে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান বলেন, জালিয়াতি করে অবৈধভাবে চোরাচালানের ঘটনায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন ও পেনাল কোডে ৪২৫ এর ৪ ধারায় র‌্যাব বাদী হয়ে মামলা করে। ওই মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন জানালে শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। অপর আসামি আজিজুল ইসলামের ছেলে আহাদুল ইসলামের রিমান্ড আবেদনের শুনানি এখনও হয়নি।

পুলিশ বলছে, মামলার প্রধান আসামি ষোলগড় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে বিদেশি মদ আনেন। র‌্যাব তার ওয়ারীর বাসায় তল্লাশি চালিয়ে নগদ ৯৮ লাখ ২৯ হাজার ৫০০ টাকা, ৪ হাজার ২৫৫ ইউরো, ৭ হাজার ৪৪৪ থাই বাথ, ২০ হাজার ১৪৫ ভারতীয় রুপিসহ চীন, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের মুদ্রা উদ্ধার করেছে। এরপর দুই আসামি নাজমুল ও সাইফুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। একই মামলার আসামি আজিজুল ইসলামের ছেলে আহাদ ইসলামকে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সোনারগাঁ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, র‌্যাব বাদী হয়ে গ্রেপ্তার তিনজনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!