বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. মশিউর রহমান খান এই রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সৈয়দ মো. রেজাউর রহমান (রেজা) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি দিলীপ ঘূর্ণী কুতুবদিয়ার উত্তর ধুরুং (ধূপী পাড়া) এলাকার গৌরীর ছেলে। মামলার শুরু থেকে তিনি পলাতক। তার অনুপস্থিতিতে বিচারকার্য সম্পন্ন হয়েছে।
.png)
আদালতের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট সৈয়দ মো. রেজাউর রহমান রেজা জানান, মামলায় আটজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে দোষ প্রমাণ হওয়ায় আদালত এই রায় দেয়।
আসামি পলাতক থাকায় তার পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না বলে জানিয়েছেন সিনিয়র বেঞ্চ সহকারী মোহাম্মদ শামীম।
বাদীর এজাহারের বরাত দিয়ে আইনজীবী শামীম জানান, ২০০৯ সালের ২২ এপ্রিল শিশু মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে কুতুবদিয়া থানায় মামলা করেন দক্ষিণ সুর এলাকার এক নারী। মামলায় মোট আটজন সাক্ষ্য দেন।
তদন্ত প্রতিবেদন ও সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ১৩ বছর তিন মাসের মাথায় মামলাটির রায় ঘোষণা করে আদালত।
মামলার রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট সৈয়দ মো. রেজাউর রহমান রেজা বলেন, সাক্ষীদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়েছে। আদালত সঠিক রায় দিয়েছেন। এতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।