বুধবার বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার বিকেলে র্যাব-১৩ এর সহকারী পরিচালক মাহমুদ বশির আহমেদ জানান, ইমাম মাহফুজুর রহমানের নামে রংপুরের মাহিগঞ্জ মেট্রোপলিটন থানায় শিশু ধর্ষণের মামলা হলে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। মামলার পর থেকে র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে।
.png)
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৫ জুলাই বিকেলে র্যাব-১৩ রংপুরের সদস্যরা চট্টগ্রাম র্যাবের সহযোগিতায় খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা তবলছড়ি বাজার ডাকবাংলো এলাকা থেকে মাহফুজুরকে গ্রেফতার করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি শিশু ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন।
জানা গেছে, নগরীর মাহিগঞ্জ এলাকার ইমাম মাহফুজুর গত ৫ মে বাড়ির পাশে ঐ শিশুকে খেলাধুলা করতে দেখেন। শিশুর বাড়ির লোকজন কাজে ব্যস্ত থাকায় চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন মাহফুজুর। রাতে বিষয়টি জানতে পেরে শিশুর বাবা বাদী হয়ে মাহিগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে যান মাহফুজুর।