বুধবার দুপুরে র্যাবের স্কোয়াড্রন লিডার ও কোম্পানি কমান্ডার আশিক উজ্জামান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ জুলাই সকালে ঝিনাইগাতী উপজেলার পূর্ব বাকাকুড়ার আবু সাঈদের বাড়ির পূর্বপাশে পাকা রাস্তা সংলগ্ন পুকুরের পানিতে প্লাস্টিকে মোড়ানো একটি বস্তাবন্দি লাশ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে লাশ পাওয়ার খবর পেয়ে ভিকটিমের স্বজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিহিত কাপড় ও লাশ দেখে নিশ্চিত হন- তিনি বাকাকুড়া গ্রামের মমিনের (৫৮) মেয়ে মীম আক্তার। এর আগে গত ২২ জুলাই বিকেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় মীম।
.png)
বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, লাশ উদ্ধারের পর র্যাব-১৪, সিপিসি-১ জামালপুর ক্যাম্পের প্রতিনিধি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা শুরু করে র্যাব। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিকে চিহ্নিত এবং অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। পরে ২৬ জুলাই রাতে একটি আভিযানিক দল ঝিনাইগাতীর ঘাঘড়া কামারপাড়া এলাকায় আত্মীয়র বাড়ি থেকে অভিযুক্ত আল আমিনকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আল আমিন ভিকটিমকে ফুসলিয়ে বাকাকুড়া বাজারের কালঘোষা নদীর পাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার ভয়ে ভিকটিমের পরিহিত ওড়না পেঁচিয়ে নিজেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটান বলে স্বীকার করেন। এ ঘটনায় আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
প্রসঙ্গত, ঝিনাইগাতীর বাকাকুড়া আদর্শগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী কিশোরী মীম আক্তারের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধারের ঘটনায় তার পিতা মমিন মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে ঘটনার বিষয়ে ছায়া তদন্ত শুরু করে র্যাব-১৪।