মঙ্গলবার সকালে উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নের উত্তর পলাশীকুড়া গ্রামে ঐ গৃহবধূর স্বামীর বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। আছিয়া ঐ গ্রামের আবু হানিফের স্ত্রী। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্বামী আবু হানিফ, শ্বশুর আলাল উদ্দিন ও শাশুড়ি জয়ফুল বেগমকে আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় তিন বছর আগে উপজেলার পলাশীকুড়া গ্রামের আলাল উদ্দিনের ছেলে কাঠমিস্ত্রি আবু হানিফের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী বাতকুচি গ্রামের আবুবকরের কন্যা আছিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে কলহ লেগেই থাকত। সোমবার রাতে আছিয়ার সঙ্গে তার শাশুড়ির বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে স্বামী আবু হানিফ স্ত্রী আছিয়াকে চড়-থাপ্পড় মারেন। এরপর প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার সকালে স্বামী আবু হানিফ কাজে চলে যান। বেলা ১১টার দিকে শাশুড়ি ঘরের দরজা বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করতে গিয়ে ঝুলন্ত লাশ দেখেন। দুপুরে পুলিশ বসত ঘর থেকে লাশ উদ্ধার করে।
.png)
আছিয়ার মা হাবিতন বেগম বলেন, মেয়ের বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক গন্ডগোল লেগেই থাকত। আমার মেয়ে ফাঁস নিয়ে মারা যায়নি। তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছে।
নালিতাবাড়ি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আব্দুল লতিফ মিয়া বলেন, লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদনের পর ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামী এবং শ্বশুর-শাশুড়িকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। এছাড়া পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।