জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে স্ত্রী হত্যার কথা স্বীকার করেছেন তিনি। র্যাব-১ এর সহকারী পুলিশ সুপার সহকারী পরিচালক (মিডিয়া অফিসার) নোমান আহমদ রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নোমান আহমদ জানান, এক বছর প্রেম করার পর ঈদুল ফিতরের আগের দিন তারা পারিবারিকভাবে বিবাহ করে। বিবাহের পর প্রথমে তাদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক থাকলেও কিছুদিন পর তাদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়। জাহিদুল ইসলামের ভাষ্যমতে তার স্ত্রী ভিকটিম খাদিজা বেগম বিভিন্ন জনের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িত। বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে বিভিন্ন সময় ঝগড়া বিবাদ হতো। ঝগড়ার এক পর্যায়ে ২৮ জুন রাতে জাহিদুল ইসলাম ভিকটিম খাদিজা বেগমের গলা চেপে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
.png)
তিনি আরো জানান, খবর পেয়ে শ্রীপুর থানা পুলিশ ঘটনার দিন বিকেলে শ্রীপুরের বারতোপা গ্রামের ভিকটিম খাদিজা বেগমের ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। পরে মৃত্যু রহস্য এবং প্রকৃত ঘটনা উন্মোচনের জন্য র্যাব-১ ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর ধানমন্ডির গ্রিনরোডের কাঠালবাগান থেকে বৃহস্পতিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে জাহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।