এলাকাবাসী জানান, পূর্বাচলের ২৪ আর ২৫ নম্বর সেক্টরের বড় একটি অংশ বনবিভাগ শহরের সৌন্দর্যবর্ধনে রেখেছেন। গভীর গজারি বন সে এলাকায় বিদ্যমান। বনের ভেতর অন্যান্য প্রাণীর অভয়ারণ্য থাকলেও বাঘ চোখে পড়েছে এই প্রথমবার। এলাকার অনেকের চোখে পড়েছে জলজান্ত বাঘ।
বাঘ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকে আর সন্ধ্যার পর ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। জরুরি প্রয়োজনে লাঠিসোটা নিয়ে চলাচল করছেন তারা। বিপাকে রয়েছেন শিশু আর গবাদি পশুদের নিয়ে। অনেকে গবাদি পশু বনের ধারে খাবার খাওয়ার জন্য রাখলে নিখোঁজ আর অজ্ঞাত কারণে মারা যাচ্ছে বলেও জানান অনেকে।
.png)
পূর্বাচলে নিরবতার সুযোগ নিয়ে নানা ধরনের অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। এখন লোকালয়ে শুরু হয়েছে বাঘের বিচরণ। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য এ এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
রূপগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রিগান মোল্লা বলেন, বাঘের শাবক দুটোকে চিতা বাঘ প্রজাতির দাবি করে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতর বলছে, একসময় বনবিভাগের এসব জমিতে গভীর বন ছিল। সেসময় থেকে এখানে বাঘ থাকতে পারে। বর্তমানে খাদ্যর অভাবে বাঘগুলো লোকালয়ের কাছাকাছি আসতে পারে বলে ধারণা করছি।