স্থানীয়রা জানান, প্রায় এক মাস আগে কাতার প্রবাসী মামুন দেশে ফেরেন। এর কয়েক দিন পর এক আত্মীয়কে নিয়ে মামুন ভারতে যান। সেখান থেকে গত শুক্রবার ঐ তরুণীকে নিয়ে দেশে ফেরেন তিনি। পরে গত শনিবার কোর্ট ম্যারেজ ও স্থানীয় কাজির মাধ্যমে তরুণীর সঙ্গে মামুনের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
এদিকে ভারতীয় তরুণী আসার খবরে দেখতে গেলে স্থানীয়দের তাড়িয়ে দেওয়া হয়। গণমাধ্যমকর্মীরাও ওই বাড়িতে গেলে তথ্য না গিয়ে উল্টো তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন মামুন ও তার স্বজনরা।
.png)
এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় ইউপি সদস্য পরিতোষ চন্দ্র পাল বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে মামুনের সঙ্গে ঐ ভারতীয় তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক হয়। পরে মামুন প্রায় এক মাস আগে প্রবাস থেকে দেশে ফেরেন। এর কিছু দিন পর মামুন ভারতে গিয়ে ওই তরুণীর পরিবারের সম্মতিতে গত শুক্রবার তাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরদিন কাজির মাধ্যমে তাদের বিয়ে পড়ানো হয়। মামুনের দাদা পীর হওয়ায় তারা বিষয়টি নিয়ে তেমন আলোচনা করতে চান না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন জানান, পাঁচ দিন আগে মেয়েটিকে মামুন বর্ডার থেকে তাদের বাড়িতে নিয়ে আসে। তবে এ বিষয়ে কারও সঙ্গে কথা বলতে রাজি না মামুনের স্বজনরা। মূলত মামুন কাতারে থাকার সময় ফেসবুকে ওই তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের সময় ওই তরুণীর পরিবারের কেউ উপস্থিত ছিল না।
কালিহাতী থানার ওসি মোল্লা আজিজুর রহমান বলেন, ভারতীয় ঐ তরুণী পশ্চিমবঙ্গ থেকে বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে এসেছে। পুলিশ সদস্যরা বাড়িতে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছে। বিউটি খাতুন নামে ভারতীয় তরুণীর সঙ্গে কাতার প্রবাসী মামুনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। এরপরই প্রেমের টানে সে মামুনের বাড়িতে আসে।