বুধবার (১৭ আগস্ট) শিল্পীর দেশে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার হবিগঞ্জের বাবা চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের তৈইগাঁও গ্রামের আব্দুল মজিদ।
তিনি বলেন, সৌদি আরবে আমার মেয়েটির খুব কষ্টের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছিল। তাকে সবসময় মারধর করতো মালিক। একবার খেতে দিলে অন্যবার দিতো না। যার ফলে শিল্পীকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। আব্দুল মজিদ বলেন, সরকার, সৌদি দূতাবাস ও সাংবাদিক ভাইদের কারণে এত দ্রুত আমি আমার মেয়েকে ফিরে পেয়েছি। আমি বাংলাদেশ সরকারসহ সবার কাছে চির কৃতজ্ঞ।
.png)
নির্যাতনের বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্না জড়িত কণ্ঠে শিল্পী আক্তার বলেন, আমি যে মালিকের বাসায় থাকতাম সেই মালিক ও তার পরিবারের সদস্যরা আমার উপর অমানুষিক নির্যাতন করতো। খাবার দিতো না। সামান্য ভুল হলেই লাঠি দিয়ে পেটাতো। এছাড়া তারা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করত। এমনকি দেশে আমার মা বাবার সঙ্গেও যোগাযোগ করতে দিত না তারা। বাড়িতে কথা বলতে চাইলেই আমাকে মারধর করা হতো।
শিল্পী আক্তার বলেন, দেশে ফেরার সময় আমার সব জিনিসপত্র রেখে দিয়েছে তারা। সামান্য কয়েকটা কসমেটিক্স ছিল সেগুলোও আনতে দেয়নি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিদ্ধার্থ ভৌমিক বলেন, মেয়েটি দেশে ফিরে এসেছে জানতে পেরে আমার খুভ ভাল লাগছে। বিষয়টি জানার পর থেকেই আমরা সরকারী ভাবে বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করি। প্রবাসি কল্যাণ মন্ত্রনালয়েও যোগাযোগ করেছি যাতে মেয়েটিকে দ্রæত সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়।